President

মিনহাজ তুহিন, চবি প্রতিনিধি : শহর থেকে সুদীর্ঘ ২২ কিলোমিটার দূরে পাহাড় ও সমতলে প্রকৃতির কোলঘেষে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা সকলেরই জানা।

কর্মব্যস্ত সময়ের ক্লান্তি,অবসাদ ও গ্লানি দূর করে একটু প্রশান্তি লাভ করার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে এ ক্যম্পাসে ছুটে আসে অনেক ভ্রমন পিপাসু মানুষ। এটি একটি অঘোষিত পর্যটন কেন্দ্রও বটে।

প্রতিদিন চবি’তে ঘুরতে আসেন নানান শ্রেনীর অসংখ্য পর্যটক। এখানে প্রকৃতি উদার ও মমতাময় রুপসী ক্যম্পাসের মনোমুগ্ধকর অপরুপ নয়নাভিরাম দৃশ্যাবলী যে কারোরই মন কেড়ে নেয়।

সন্ধ্যা পেরুতেই শিয়ালের হাক ডাক,সকাল-সন্ধ্যায় হরিণের আনাগোনা কিংবা পাহাড়ের মায়াবী ডাক,ঝরনার হাতছানি অথবা চবির অ্যাডভেঞ্চার খ্যাত‘চালন্দা গিরিপথ’ এড়িয়ে যেতে পারে না কেউ। আজ আমাদের আয়োজন সেই অ্যাডভেঞ্চার‘চালন্দা গিরিপথ’কে নিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ঝুপড়ির পাশেই পাহাড় থেকে নেমে এসেছে পানির ঝরনা ; যার উৎপত্তিস্থলের দিকটি ‘ছড়া’র পানি নামে পরিচিত। আর এই ছড়ার পানি দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মিনিট হাটলে দক্ষিণে দেখা যাবে প্রকৃতির অপার বিস্ময় চবির
চালন্দা গিরিপথ।

এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সময় দেখা যাবে পাহাড়ের বুকে ফলানো বিভিন্ন ধরনের ফল-মূল,শাক সবজিসহ নানা জাতের নয়নাভিরাম গাছ গাছালি। আরো দেখা মিলবে প্রাকৃতিকভাবে নেমে আসে পাহাড়ের কোনায় বিশুদ্ধ ঠান্ডা পানির।

আর তাইতো প্রকৃতির একটু সান্নিধ্য পেতে প্রায় প্রতিদিন দল বেঁধে সেখানে ছুটে অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাসহ বাহির থেকে ঘুরতে আসা অনেকে।

চালন্দা গিরিপথ পরিভ্রমন করে আসা শিক্ষার্থীদের অভিমত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি একটু উদ্যেগ নেয় তাহলে এটিই হতে পারে বাংলাদেশের অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্র।

(বি:দ্র: জায়গাটি দুর্গম এবং অনিরাপদ হওয়ায় সেখানে যেতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতির প্রয়োজন হয়।সাথে করে লাঠি নিয়ে যেতে হয় এবং দলের লোক সংখ্যা দশজনের অধিক হলে ভালো।)

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর/এইচ কে

১৯ আগষ্ট, ২০১৭ ১২:৫২ পি.এম