President

পৌষকে বিদায় জানিয়ে মাঘের শুরুতে গ্রাম আর নগরজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত। আর তাইতো প্রতি বছরের মত এবারো সাভারের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড় করেছে হিমালয়ের দেশ থেকে আসা বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি। এই সুযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে পাখিপ্রেমীরাও ভিড় করছেন ক্যাম্পাসের লেকের ধারে। প্রাণীবিদরা বলছেন এসব অতিথি পাখি রক্ষা করে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য।

ঝাঁকে ঝাঁকে পাখির দল, ভাসছে দিগন্তের নিলে। কখনো চুপচাপ ঝিলের জলে, কখনোবা এক হয়ে আকাশ মাতিয়ে বেড়াচ্ছে শীতের এই অতিথিরা।

এই দৃশ্যই জানান দিচ্ছে, পরিযায়ী পাখির বিচরণে এখন মুখরিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। প্রতি বছরই সবুজে আবৃত লেকগুলোতে ভিড় করে হাজারো অতিথি পাখি। তাদের আগমনে লাল শাপলার চাদরে ঢাকা লেকগুলো হয়ে উঠে প্রকৃতির এক অপরূপ সৌন্দর্য।

পাখিদের কলতান আর শীতের স্নিগ্ধ আমেজ, প্রকৃতিপ্রেমীদের করে তুলছে প্রাণচঞ্চল। একে অপরের সাথে খুনসুটিতে মেতে থাকার এই দৃশ্য বাড়তি আনন্দের যোগান দিচ্ছে সব বয়সীদের। প্রতিদিনই ঢাকাসহ সারাদেশের অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় জমাচ্ছেন আবাসিক এই বিদ্যাপীঠে। অতিথি পাখির কিচিরমিচির শব্দে হারিয়ে যাচ্ছেন স্বপ্নের ভুবনে।

১৯৮৬ সালে পাখি আসা শুরু হলেও ১৯৮৮ সালের পর থেকে মূলত পাখিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে সবুজ এই ক্যাম্পাসে। তবে বর্তমানে ধীরে ধীরে কমছে পাখির সংখ্যা।

এখানে ছোট বড় প্রায় ১৭টি জলাশয় থাকলেও হাতে গোনা দু-তিনটি জলাশয়ে পাখিরা তাদের আবাস গড়ে তোলে। এই পর্যন্ত ১৯৪ প্রজাতি পাখির দেখা মিলেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে প্রতিবছর পাখি মেলার আয়োজন করে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/ এইচ কে/এস আর

১৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ১২:৫৩ পি.এম