President

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। বড়দিন উপলক্ষে রবিবার উপজেলার ১৮টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার খ্রিস্টান পরিবার সাজসজ্জা ও উৎসব-আমেজ মেতে উঠেছেন।

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে দোহার-নবাবগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের ৫টি গির্জা ও ১৮টি গ্রামের খ্রিষ্টান বাড়িগুলোতে সাজ সাজ রব।
বাড়িগুলোর সামনে সাজানো হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রি। মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ও পোস্ট কার্ডের মাধ্যমে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। অতিথি আপ্যায়নের জন্য বাড়িতে বাড়িতে তৈরি করা হচ্ছে রকমারি পিঠা। গির্জা ও উপধর্মপল্লিগুলোকে সাজানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঝলমলে আলোকসজ্জায়। গির্জার ভেতরে দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে করা হবে। প্রাঙ্গণে কুঁড়েঘর নির্মাণ করা হয়েছে। তাতে রাখা হবে মাতা মেরির কোলে যিশুখ্রিষ্টের মূর্তি।

নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ জপমালা রানির গির্জায় সন্ধ্যায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সদস্য এ্যাড অন্তরা সেলিমা হুদা।

এসময় তিনি ৩০ পাউন্ডের একটি কেক কেটে বড়দিন উদযাপন করেন। এছাড়াও টুকটুকে লাল পোশাক পরা সফেদ দাড়ি-গোঁফের বুড়ো সান্তাক্লজ উপহারের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছোট্ট সোনামণিদের হাতে তুলে দেবেন মজার মজার উপহার ও চকলেট।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব বড়দিনের অনুষ্ঠানে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ছাড়াও নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ জপমালা রানির গির্জার ফাদার ম্যাক্সওয়েল উপস্থিত ছিলেন ।

প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা-র' সুযোগ্য কন্যা এ্যাড: অন্তরা সেলিমা হুদা দোহার- নবাবগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মী উৎসবে অংশ গ্রহণ করে থাকেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় শীতার্থ ও বন্যা দুর্গতদের মাঝে ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/ এইচ কে/এস আর

২৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২৩:১৮ পি.এম