President

পরিবেশবান্ধব সবুজ ক্যাম্পাসের বিশ্ব র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিস ইন্দোনেশিয়া। আর তাতে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

‘ইউআই গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং-২০১৭’ শীর্ষক এই তালিকায় বিশ্বের ৭৬টি দেশের ৬১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে যেখানে বাংলাদেশ থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাড়াও স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি রয়েছে ১৫৩তম স্থানে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৪৬৩তম স্থানে । এই তালিকায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে নেদারল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াগেনিনজেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ Wageningen University & Research

গত সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়ার দাপ্তরিক ওয়েব সাইটে ( (http://greenmetric.ui.ac.id/overall-ranking-2017/ । এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, প্রতি বছর ৬টি মানন্ডের ভিত্তিতে বিশ্বসেরা সবুজ ক্যাম্পাসের তালিকা প্রকাশ করে থাকে ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া।

মানদন্ড ৬টি হচ্ছে: পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, জলবায়ু পরিবর্তনকারী শক্তি ব্যবহারে সতর্কতা, পরিত্যাক্ত ও নবায়নযোগ্য বর্জ্যরে পুনর্ব্যবহার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব পরিবহণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ ও টেকসই জলবায়ু সংক্রান্ত শিক্ষা।

এই ৬টি প্রধান মানদন্ডের অধীনে আরও উপ-মানদন্ড রয়েছে। সবগুলো মানদন্ড যথাযথভাবে পূরণ করায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সেরা সবুজ ক্যাম্পাস স্বীকৃতি পেয়েছে এবং বাংলাদেশের সবগুলো ক্যাম্পাসের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ২০১৬ সালে প্রকাশিত র‌্যাংকিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অবস্থান ছিল ৪৫৩তম। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ৩০০ ধাপ উন্নতি ঘটিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং বিশ্বের মধ্যে ১৫৩তম অবস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়ার ওয়েবসাইট থেকে আরও জানা যায়, এ বছরের তালিকায় এশিয়া থেকে ২৫১টি, ইউরোপ থেকে ২০২টি, আমেরিকা থেকে ১৪০টি, আফ্রিকা থেকে ১১টি এবং ওশেনিয়া মহাদেশ থেকে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে ২০১০ সাল থেকে বিশ্বসেরা সবুজ ক্যাম্পাসের তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করে ইউনিভার্সিটাস ইন্দোনেশিয়া। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, এই তালিকা প্রকাশের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়বে এবং টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে শিক্ষিত সমাজ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/ এইচ কে/এস আর

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০২:০৫ এ.ম