President

 

ভারতের সন্ত্রাস দমন বিষয়ক এক বিশেষ আদালত ১৯৯৩ সালের আলোচিত মুম্বাই হামলার আরেকটি মামলায় সাত আসামির মধ্যে ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী আবু সালেম।

১৯৯৩ সালের মুম্বাই হামলার ঘটনায় ১২টি পৃথক বিস্ফোরণে নগর কেপে ওঠে। এতে ২৫৭ জন নিহত ও ৭১৩ জন আহত হয়।

মুম্বাইয়ে টেররিস্ট অ্যান্ড ডিজরাপটিভ অ্যাকটিভিটিজ (প্রিভেনশন) বা টাডা আইনের আদালত গতকাল শুক্রবার এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে ২০০৬ সালে ঘটনার মূল বিচার শেষ হয়েছিল। সে বিচারে ১২৩ জন আসামির মধ্যে ১০০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

দণ্ডাদেশের বিষয়ে যুক্তিতর্কের জন্য আদালত আগামী ১৯ জুন দিন ধার্য করেছেন। গতকাল দোষী সাব্যস্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফিরোজ খান, তাহের মার্চেন্ট, রিয়াজ সিদ্দিকী ও করিমুল্লাহ খান।

মামলা অনুযায়ী, টাডা আদালতে দোষী সাব্যস্ত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনেরই মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের’ দায়ে অভিযুক্ত নন বলে রিয়াজ সিদ্দিকীর যাবজ্জীবন হতে পারে।

আসামি আব্দুল কাইয়ুম শেখকে আদালত খালাস দিয়েছেন। তিনি বিদেশ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি চলচ্চিত্র তারকা সঞ্জয় দত্তের কাছে একটি রিভলবার বিক্রি করেছিলেন বলেও অভিযোগ আছে।

সিবিআই এর বিশেষ কৌঁসুলি দীপক সালভি বলেন, এ সাতজনের বিচার আলাদাভাবে হয় কারণ, আগের বিচার কার্যক্রমের একটা বড় অংশ শেষ হওয়ার পর তারা ধরা পড়েন।

আর কোনো অভিযুক্ত আটক নেই বলে গতকালের রায়ই আপাতত এ মামলার শেষ রায়। মূল ষড়যন্ত্রকারী দাউদ ইব্রাহিম,তাঁর ভাই আনিস ইব্রাহিম, মুস্তফার ভাই মোহাম্মদ দোসা ও টাইগার মেমনসহ অভিযুক্ত ৩৩ জন পলাতক।

আবু সালেমকে ২০০৫ সালে পর্তুগাল থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়। তাঁর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই সিদ্দিকী ও শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য একজন আসামি মুস্তফার নাম বলেন এবং ২০০৩ সালে দুবাই থেকে ভারতে ফেরার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৬ জুন, ২০১৭ ২০:২৮ পি.এম