President

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রবাসী যুবক রাকিবুল হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি শাহিন নামের এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১টি বিদেশি পিস্তুল, ১টি ম্যাগাজিন ১ রাউন্ড পিস্তুলের গুলি, ১টি তরবারি ও ১টি রামদা।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে পুলিশের ৪ সদস্য।

আজ শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কসবাঘাটে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, প্রবাসী রাকিবুল হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি শাহিনের তথ্যানুযায়ী তাকে নিয়ে মামলার অন্য আসামিদের ধরতে কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কসবাঘাটে অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একদল সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে।

‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় শাহিন গুলিবিদ্ধ হলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় কুমারখালী থানার এএস আই মাসুদুর রহমান, এএস আই শেখ রাজীব আল রশিদ, কনেস্টেবল আলীউজ্জামান ও কনেস্টেবল ফিরোজ হোসেন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ দাবি করেছে।

শাহিন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁধবাজার এলাকার প্রবাসী রাকিবুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। শাহিন রাকিবুলকে হত্যার জন্য তার স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের কাছ থেকে ২লাখ টাকার চুক্তিতে নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিল বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
সন্ত্রাসী শাহিন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে।

উল্লেখ্য, স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে গত ৫ অক্টোবর ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা রাকিবুলকে হত্যা করে কুমারখালী উপজেলার বাঁধবাজার এলাকার কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়। হত্যার তিন দিন পর ৮ অক্টোবর তার লাশ নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর

১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ১০:৫৬ এ.ম