President

 

রাঙামাটিতে বাংলাদেশ টেলিভিশন সম্প্রচার উপকেন্দ্র ও রূপনগর এলাকার দৃশ্য এটি। এই পাহাড়ের পেছন দিকে ধসে পড়েছে অনেক বাড়িঘর। ছবিটি গতকাল তোলা। ফাইল ছবি

অতিবৃষ্টির সঙ্গে পাহাড় ধস ও পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত রাঙামাটিতে জনজীবনে স্বস্তি ফেরার আগেই আবার আতঙ্কিত লোকজন। গতকাল বৃহস্পতিবার রোদের দেখা মিললেও দুপুরে ঝুম বৃষ্টি হয়। এরপর ক্ষান্ত দিয়ে রাত থেকে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এতে লোকজন ফের পাহাড় ধসের আতঙ্কে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন।

 

রাঙামাটিতে বৃষ্টির কারণে গতকাল রাতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা শুরু করে। স্থানীয় লোকজনকে আশ্রয় দিতে ১২টি কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আজ সকালে (১০ টা) এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও বৃষ্টি হচ্ছিল। অনেকে নিজ উদ্যোগে আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন। এসব কেন্দ্রে প্রায় ২০০০ হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছেন।

 

আজ সকাল নয়টার দিকে শহরের ভেদভেদী এলাকায় ফের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। সেখানে তিনজন নিখোঁজ থাকার খবর আছে।

 

রাঙামাটি সরকারি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত রেড ক্রিসেন্টের জেলা যুব উপপ্রধান মো. সাইফুল উদ্দিন বলেন, আমরা রাতে মাইকিং শুরু করেছি। লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে এসেছি।

 

এই কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া শাবানা খাতুন নামের এক নারী জানান, বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর কেবল মনে হচ্ছে আশপাশের পাহাড় ধসে পড়বে।

 

বেতার কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মুজিব নামের এক ব্যক্তি জানান, পাহাড় ধসে তাঁর ঘরে ভেঙে গেছে ও তিনটি ছাগল মারা গেছে।

১৬ জুন, ২০১৭ ২০:১৮ পি.এম