President

বাংলাদেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিশ্রুতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি। এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। বললেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
নিউইয়র্কের মিলেনিয়াম হিলটন হোটেলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘টেকসই উন্নয়নের অভিমুখে : সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা থেকে শিক্ষা এবং এসডিজির পথনির্দেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালের মতো নিজস্ব বাস্তবতার আলোকেই বাংলাদেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। প্রবল ইচ্ছাশক্তির ফলে ২০১৫ সালের মধ্যে দেশ এমডিজি’র অধিকাংশ লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়। যার ফলে বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যেই দারিদ্র্য দূরীকরণে সাফল্য অর্জন করবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সামগ্রিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনারক্ষেত্রে একটি নিরবচ্ছিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করতে পেরেছে। ফলে দেশটির অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ৬ ভাগের ওপরে রয়েছে। মানবসম্পদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। পাবলিক সেক্টরে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসকল পদক্ষেপের ফলে ১৯৯১ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ৫৬ শতাংশ ছিল তা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়ে ২০১০ সালে ৩১ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।
এছাড়াও, বাংলাদেশ অগ্রগতির পথেই রয়েছে উল্লেখ করে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবই এই মুহূর্তে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা বলে জানান অন্যান্য বক্তারা। টেকসই উন্নয়নে বেসরকারি খাতের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে সরকারি পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সেমিনারে উপস্থিত উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
এতে প্যানিলেস্ট হিসেবে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ এবং বিশ্বের ১৬ জন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ ডেলিগেশনের মধ্যে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব সামসুল আলম, অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আজম।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর

১২ অক্টোবর, ২০১৭ ০২:২৫ এ.ম