President

রাজধানীর মৎস ভবন এলাকায় দেশের প্রধান দৈনিক মানবজমিনের ফটো সাংবাদিক মো: নাসির উদ্দিনের নির্যাতনের ঘটনায় ট্রাফিক সার্জেন্ট মো: মুস্তাইনকে ক্লোজ করা হয়েছে। বুধবার বিকালের ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ট্রাফিক বিভাগের ডিসি অফিসে স্থান্তন্তর করা হয়। পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকাল সোয়া ৪ টার দিকে প্রেসক্লাব থেকে কাওরানবাজারে দৈনিক মানবজমিনের কার্যালয়ে রওনা দেন ফটো সাংবাদিক নাসির উদ্দিন। এসময় মৎসভবন মোড়ে সেখানে দায়িত্বরত ঢাকা মহানগর ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের সার্জেন্ট মুস্তাইন নাসির উদ্দিনের বহনকারী মোটরসাইকেলকে সিগনাল দিয়ে থামায়। এসময় ওই মোটরসাইকেলে দেশের শীর্ষ দৈনিক জনকণ্ঠের জীবন ঘোষ ছিলেন। এসময় মুস্তাইন মোটরসাইকেলের নথিপত্র দেখতে চান। তখন নাসির উদ্দিন মোটর সাইকেলের নথিপত্র দেখান। এসময় নাসির উদ্দিন তার মোটর সাইকেলের নথিপত্র এবং তার ব্যক্তিগত ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখান।

তখন তিনি নাসিরের কাছে জানতে চান তার হেলমেট কোথায়? নাসির তার প্রশ্নের উত্তরে বলেন, তিনদিন আগে তার হেলমেটটি প্রেসক্লাব থেকে চুরি হয়ে গেছে। দুইদিন পরেই তিনি হেলমেট কিনবেন। শত কাকুতি-মিনতি সত্ত্বেও কর্তব্যরত সার্জেন্ট তার নামে মামলা রুজু করেন এসময় তিনি সাংবাদিকদের নামে কুৎসা করতে থাকেন। তার নানা কুৎসার তীব্র নিন্দ্রা জানান নাসির। এসময় মুস্তাইন নাসিরকে শারিরীকভাবে আঘাত করেন। শার্টের কলার ধরে মৎসভবনের পুলিশ বক্সে নিয়ে যায় এবং সেখানে বসিয়ে রাখেন। কোথায় ফোন দিতে চাইলে তিনি নাসিরের ফোনটিও ছিনিয়ে নেন। তার ওপর হামলা পরেই পরেই জনকণ্ঠের সাংবাদিক জীবন ঘোষ সেখানে থেকে দৌড় দিয়ে প্রেসক্লাবে এসে তার অন্যান্য সহকর্মীদের বিষয়টি জানান। পরে খবর পেয়ে নাসির উদ্দিনের অন্যান্য সহকর্মীরা সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। তখনও সার্জেন্ট মুস্তাইন সাংবাদিকদের বিষয়ে নানা কূৎসা করতে থাকেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ট্রাফিক বিভাগের এসি মো: হারুন জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি। সব তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে সার্জেন্ট মুস্তাইনকে ক্লোজ করা হয়েছে।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর

 

১১ অক্টোবর, ২০১৭ ২১:৫২ পি.এম