President

ঈদুল আযহার ছুটিতে নানা বয়সের পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় বরগুনার পাথরঘাটার লালদিয়া হরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্রে। পর্যটকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে আদায় করা হচ্ছে রাজস্ব। পর্যটকরা বলছেন এখানে সুন্দরবনের আমেজ ও সমুদ্র পারের প্রাকৃতিক দৃশ্য সবাইকে মুগ্ধ করছে।
কখনো মেঘ আর কখনো বৃষ্টি প্রকৃতির এই লীলায় হরিণঘাটার বন সেজেছে এক অপরূপ সাজে। কর্মব্যস্ত মানুষেরা ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে একটু বিনোদনের জন্য ছুটে এসেছেন লালদিয়ার এই সমুদ্র পারে। পাশেই রয়েছে হরিণঘাটা বনভূমি।

বনে ঢুকলেই পর্যটকরা পায় সুন্দরবনের আমেজ। বনের মধ্যে রয়েছে আঁকাবাঁকা ফুটট্রে রাস্তা। যেখানে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটছেন পর্যটকরা। কেউ কেউ আবার আড্ডা দিচ্ছেন বনের মধ্যে রাস্তার পাশে বসে। আবার কেউ কেউ বনের মধ্যে গোলঘরে। কেউবা ওয়াচ টাওয়ারে উঠে দেখছেন গাছ ও মেঘের খেলা। অনেকে আবার পরিবার পরিজন নিয়ে ছোট ছোট ট্রলারে করে বনের মধ্যে আঁকাবাঁকা খাল ধরে যাচ্ছেন সমুদ্র পারের লালদিয়াতে। সেখানে রয়েছে ঝাউবন ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা।
সমুদ্রের বিশালতায় পর্যটকরা পাচ্ছেন অন্যরকম অনুভূতি। তবে ঘুরতে আসা পর্যটকরা বলেন, লালদিয়াতে জেটিঘাট স্থাপন করে স্পিডবোট রাখা হলে আধাঘণ্টায় কুয়াকাটা ও আধাঘণ্টায় সুন্দরবন যাওয়া যেত।

হরিণঘাটা বন কেন্দ্রের রাজস্ব আদায়কারী শীতাংশু আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘প্রত্যেক পর্যটকদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। সরকার লালদিয়া, সোনাকাটা ও কুয়াকাটা নিয়ে পর্যটন জোন করার পরিকল্পনা নিয়েছে।’
বরগুনা-২ আসনের প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সবুর টুলুর একক প্রচেষ্টায় ২০১৩ সালে লালদিয়া হরিণঘাটা পর্যটন কেন্দ্রটির কাজ শুরু হয়। পর্যটনটি আরো উন্নত করলে বৃদ্ধি পাবে পর্যটকের সংখ্যা। সেসঙ্গে বৃদ্ধি পাবে সরকারি রাজস্ব।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:১৩ পি.এম