President

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খুররমশাহর’র সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান। দেশটির জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রাজধানী তেহরানে শুক্রবার দেশটির পবিত্র ইসলামি প্রতিরক্ষা সপ্তাহ শুরু উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ) মাজার প্রাঙ্গণে এ সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ক্ষেপণাস্ত্রটি উন্মোচন করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর পরীক্ষার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইরান।


বার্তা সংস্থা সিএনএন জানায়, একটি অজ্ঞাত স্থান থেকে এটি আকাশে নিক্ষেপ করা হয়। এর পাল্লা এক হাজার ২৫০ মাইল বা দুই হাজার কিলোমিটার বলে জানানো হয়েছে। যা সহজে সৌদি আরব এবং ইসরায়েলে আঘাত হানতে পারবে।
ভিডিওতে চারটি আলাদা অ্যাঙ্গেল থেকে টেলিমেট্রি ক্যামেরার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার আলাদা আলাদা ফুটেজ ধারণ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিচালক জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র থেকে ওয়ারহেড বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মুহূর্তটিও ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার সকালে প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিসহ দেশটির উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ক্ষেপণাস্ত্রটি উন্মোচন করা হয়। ‘খোররামশাহর’ হচ্ছে ইরানের দুই হাজার পাল্লার তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্র। কয়েক বছর আগে একই পাল্লার ‘কাদ্‌র-৫’ এবং ‘সেজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়।


প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেন, আমেরিকা ও ইসরায়েল ২০১৫ সালে পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। ইরান সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবি গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ডিভিশনের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিযাদেহ বলেছেন, আগের দুই ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে এটি আকারে ছোট এবং বেশি কার্যকর।
ইরান বারবরই বলে আসছে, দেশটির সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক এবং অন্য কোনো দেশকে হুমকি দেয়ার কোনো লক্ষ্য তেহরানের নেই। একই সঙ্গে ইরান সতর্ক করে দিয়ে একথাও বলে রেখেছে, আক্রান্ত হলে আগ্রাসী শক্তিকে সমুচিত জবাব দেয়ার জন্যও তেহরান প্রস্তুত রয়েছে।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৬:৪৪ পি.এম