নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ৪ উইকেটে হারটা এখনো টাটকা। কী করলে কী হতো—এ নিয়ে চলছে আলোচনা, তর্ক। রানটা কি খুব কম হয়ে গিয়েছিল? বোলাররা কেন দ্রুত উইকেট ফেলতে পারল না! স্পিনাররা কি আশানুরূপ বল করতে পারেননি? নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের রেশ থাকতে থাকতেই আজ ডাবলিনের মালাহাইডে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের কাছে হার—আজ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটায় কিন্তু জিততেই হবে বাংলাদেশকে।
আয়ারল্যান্ড ঘরের মাঠে সব সময়ই শক্ত দল। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার মনে শঙ্কা এটিই। যেকোনো ভুলের খেসারত যে বাংলাদেশকে দিতে হবে—ওয়ানডে অধিনায়ক খেলোয়াড়দের সতর্ক থাকতেই বলছেন, ‘আয়ারল্যান্ডের মাটিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই কঠিন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ভুল করা চলবে না। প্রথম ম্যাচে আমরা যে ভুলগুলো করেছিলাম, সেগুলো করলে কিন্তু আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বিপাকেই পড়তে হবে।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এটি এক দিক দিয়ে ভালো হয়েছে বলেই মনে করেন, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছি বুধবার। খুব তাড়াতাড়িই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নেমে পড়তে হচ্ছে। এটা ভালোই হয়েছ। এর মানে আমরা নেতিবাচক ভাবনার সময় পাচ্ছি না। তবে হারের ধাক্কা সামলাতে হচ্ছেই। ওই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো ম্যাচে ব্যবহার করতে হবে।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটায় শুরুটা কিন্তু ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। সৌম্য সরকার দুর্দান্ত খেলছিলেন। ভালো ইনিংসের জন্য নিজের শুরুটা হয়েছিল তামিমের। কিন্তু দ্রুত ৩ উইকেট পড়ে যাওয়াতে দল বিপদে পড়ে যায়। বিপর্যয়টা কাটিয়ে উঠলেও সংগ্রহটা ২৬০-এর নিচেই থেকে গেছে। সংগ্রহটা ২৭৫-২৮০ হলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারত বলেই মনে করেন মাশরাফি, ‘আমরা জয় পেতেই পারতাম। জয়ের থেকে খুব দূরে ছিলাম না। তিনজন ব্যাটসম্যান ভালো খেলতে খেলতেও আউট হয়ে যাওয়াতে সংগ্রহটা অমন হয়নি। ২৭৫-২৮০ রান হলে খুব ভালো হতো। তবে আমাদের বোলিংটা আরও ভালো করতে হবে।’

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এস আর/নীরব/কে আই/ ১৯ মে ২০১৭