বগুড়ার শেরপুরে গেটকো সিডসের উদ্ভাবিত হাইব্রিড ফুলকপি স্নোবেবি-৬০ কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। আগাম জাত, কম সময়ে ফলন ও দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় এই জাতের ফুলকপি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

কৃষক আব্দুস সালাম জানান, তিনি প্রায় এক বিঘা জমিতে হাইব্রিড ফুলকপি স্নোবেবি-৬০ আবাদ করেছিলেন। আগাম জাত হওয়ায় ভাল দাম পেয়েছেন। রোপণের ষাট দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি ফুলকপির ওজন প্রায় এক থেকে দেড় কেজি। ধবধবে সাদা বর্ণের হওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা বেশি থাকে।

গ্রামের অন্য জাতের ফুলকপি চাষী নাসিম শেখ, আমির হোসেন, আকুল শেখসহ অনেক কৃষক জানান, আব্দুস সালাম গেটকো সিডসের উদ্ভাবিত হাইব্রিড ফুলকপি স্নোবেবি-৬০ আবাদ করে আমাদের আগেই ফসল বাজারে বিক্রি করতে পেরেছেন। এ কারণে দামও ভাল পেয়েছেন। আগামীতে নিজেরাও এই জাতের কপি আবাদ করবেন বলে জানান তারা।

গেটকো সিডস কোম্পানির প্রিন্সিপাল প্লান্ট ব্রিডার খোরশেদ আলম চৌধুরী বাবলা জানান, হাইব্রিড ফুলকপি স্নোবেবি-৬০ প্রতি একরে ২০ থেকে ২৫ টন পর্যন্ত ফলন দেয়। এই জাতটি টাইট পাতা দ্বারা আবৃত থাকায় আকর্ষণীয় সাদা বর্ণের হয়।

এই জাতের ফুলকপি কর্তন উপলক্ষে রোববার বিকালে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বড়াইদহ মাঠে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চীনা বিজ্ঞানী (হেজিয়া হাইটেক) জোও জিং জিয়াং। বিশেষ অতিথি ছিলেন, শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. খাজানুর রহমান, গেটকো সিডস কোম্পানির জিএম (সেলস) ফারুক, প্রিন্সিপাল প্লান্ট ব্রিডার খোরশেদ আলম চৌধুরী বাবলা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুর রহিম তারার সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডেপুটি ম্যানেজার (সেলস) এসএম হাফিজুর রহমান, নুরুনবী তালহা, ইলিয়াস পারভেজ, এরিয়া ম্যানেজার শামীম আল মামুন, কৃষক আব্দুস সালাম প্রমুখ।