সরকার ২০১৮ সালের প্রথমদিকেই দেশব্যাপী মোবাইল পেমেন্ট সেবা চালু করতে যাচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক নীতিগত উপদেষ্টা জানিয়েছেন। গভর্নমেন্ট ইনসাইডারকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই তথ্য জানান।

এসময় বাংলাদেশ পাবলিক সেক্টর উদ্ভাবন সংস্থার প্রধান অনির চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন ( এটুআই) এর বরাতে বলেন, ‘সিস্টেমটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (বাংলাদেশ ব্যাংক) সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হবে।’

এছাড়া এই সিস্টেমটি বাংলাদেশে চলমান পেমেন্ট সেবা বিকাশের সঙ্গে সিঙ্ক করা হবে, এর ফলে ভোক্তারা এসএমএস বার্তায় টাকা পরিশোধের মাধ্যমে পণ্য ও পরিষেবা ক্রয় করতে পারবেন। অনির চৌধুরী আরো জানিয়েছেন, সারাদেশের প্রায় ৪ হাজার ৫শ’টি কম্পিউটার কেন্দ্রে এই সেবা পাওয়া যাবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল তথ্য সেবা প্রদানকারী এই সেন্টারগুলো ‘শেষ মাইল পরিষেবা প্রদানকারী’ হিসেবে গণ্য হলেও, এর প্রায় ১২শ’ কেন্দ্রে ব্যক্তিগত কোম্পানিগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে মোবাইল আর্থিক পরিষেবা প্রদান করা হয়।

এর আগে, বিশ্বব্যাংকের একটি নিবন্ধে অনির চৌধুরী লিখেছিলেন বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষ বিশেষ করে গ্রামীণ কৃষকেরা এই ধরণের মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে অনেকটা বঞ্চিত হয়। কিন্তু তাদের জন্য এই মাধ্যমটি সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।

এছাড়া শাখাভিত্তিক ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রামীণ লোকদের উচ্চ পরিষেবা চার্জ পরিশোধের করতে হয়। আর এ কারণে অনেক সময় তারা বাধ্য হয়ে ব্যাংকিং লেনদেন চালিয়ে যান, না হলে এতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন বলেও জানান তিনি।

তবে সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তে জানা গেছে, নতুন এই মোবাইল পেমেন্ট সেবাটি এটুআই ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে রূপায়িত হতে যাচ্ছে, যাকে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ল্যাব হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। গভর্নমেন্ট ইনসাইডার।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এস আর/নীরব/কামরুল/ ২১ এপ্রিল ২০১৭