পাশ নাকি ফেল? বলিউডে এই প্রশ্নের উত্তর মেলে কেবল বক্স অফিস রিপোর্টেই । কিন্তু আক্ষরিক অর্থে নায়ক-নায়িকার পাশ ফেলের খোঁজ নিয়েছেন কখনও। নিলে কিছুটা হতাশ হবেন বৈকি। তবে এও হতে পারে, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা জেনে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করবেন।

পুঁথিগত শিক্ষা নয়, নিজেকে প্রমাণ করার ক্ষেত্র নিজের কাজের মাধ্যমে। তারে জমিন পর ছবিতে নিকুম্ভ স্যারের বার্তা ছিল সেটাই। আসলে ছবির নিকুম্ভ স্যার তাঁর বাস্তব জীবনেও সেটাই মেনে চলেন।

বারো ক্লাসের পরেই লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে আমির পরিচালক নাসির হুসেয়নকে অ্যাসিস্ট করা শুরু করেছেন।

আর এক খান, নিজের অভিনয়ের স্বপ্ন পূরণে কলেজে নিয়মিত ক্লাস করতেই পারেন নি। তাই সালমানও কলেজ ছুট।

অক্ষয় কুমার তো মার্শল আর্টসে ব্যস্ত থেকেছেন বরাবর। লেখাপড়ার সময় কই তাঁর।

সালমানের প্রাক্তন বান্ধবী ঐশ্বর্য, ভাল ছাত্রী হলেও, পড়াশুনা টানতে পারেন নি বেশি দূর। ইচ্ছে ছিল architect হওয়ার, কিন্তু বাধ সাধল তাঁর সাধের মডেলিং।

একই অবস্থা দীপিকা পাড়ুকোনের। হাইস্কুলেই লেখাপড়ায় ইতি টানতে হয়েছে তাঁর। বলিউডে যাঁর আত্মপ্রকাশ স্টুডেন্ট হিসেবে, তাঁর তো স্টুডেন্ট লাইফ শেষ হয়েছে ছবি শুরু হতেই।

আলিয়া ভাট ক্লাস টুয়েল্ভ(12) পাস।

একই অবস্থা লোলো আর বেবোরও। কারিনা কাপুর যদিও বা কলেজে অন্তত দু বছর পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, বোন কারিশ্মাকে তো লেখাপড়াকে বিদায় জানাতে হয়েছিল ক্লাস সেভেনেই। কারণ ষোল বছরেই তো বলিউডে কাজ শুরু করে দেন এই সুন্দরী।

শিক্ষাগত যোগ্যতা যে কখনই জীবনের উন্নতির মাপকাঠি হতে পারে না, বলিউডের এই তারকাদের মার্কশিট তারই প্রমাণ।