বগুড়ার শাজাহানপুরের চোপীনগর ইউনিয়নে কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করেছে কৃষক। আর এ কাজে তাদের সহায়তা করছে বেসরকারি একটি উন্নয়ন সংস্থা।

শাজাহানপুরের চোপীনগর ইউনিয়নে কীটনাশকমুক্ত সবজি ও ফলমূল উৎপাদন ও উৎপাদিত এসব পণ্যের নতুন বাজার গড়ে উঠেছে। এ কাজে কৃষকের পাশে দাড়িয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থা।

কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার কমিয়ে কীটনাশকমুক্ত সবজি ও ফল উৎপাদন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থার পক্ষ থেকে সহজলভ্য ও অল্প খরচে বালাই দমন পদ্ধতি, রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পর্কে কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণ নিয়ে কুষ্টিয়া, জৈয়ন্তীবাড়ি, কামারপাড়া, দহিকান্দি গ্রামের পাঁচ শতাধিক কৃষক বিষমুক্ত ফল ও সবজি উৎপাদন শুরু করেছে।

নিরাপদ সবজি ও ফলমূলের নতুন বাজার সৃষ্টিতে কুষ্টিয়া গ্রামে সবজি সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

বগুড়ায় উৎপাদিত শীতকালীন বিভিন্ন সবজির মধ্যে রয়েছে লাল শাক, পালং শাক, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, শিম, বরবটি, লেটুস পাতা, ব্রকলি, শালগম, মূলা, সুগার বিট, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ক্যাপসিক্যামসহ বিভিন্ন সবজি।