ফের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে, এবার প্রায় ১৭ মিলিয়ন ডাটা চুরি করেছে হ্যাকাররা। সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম ফুটপ্রিন্ট আরও বড় একটি সাইবার অ্যাটাকের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল সম্প্রতি। আর ঠিক তখনই জোম্যাটো কোম্পানি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তাদের ডাটাবেস থেকে ১৭ মিলিয়ন ডাটা চুরি হয়েছে।

তাদের ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড হ্যাক করে এই বড় অঙ্কের তথ্য চুরি করা হয়েছে। এদিন নিজেদের ব্লগে এই তথ্য চুরির ঘটনাটি পোস্ট করে তারা উল্লেখ করেছেন, যেহেতু পেমেন্টের এবং ক্রেডিট কার্ডের তথ্য পৃথকভাবে সরিয়ে রাখা হয়েছিল তাই তা চুরি যায়নি। তবে সংস্থার অন্যান্য বহু নথিই চুরি গিয়েছে। এই প্রথম নয়, ২০১৫ সালেও জোম্যাটো কোম্পানির কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছিল। এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কিভাবে এই তথ্য চুরি করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফুটপ্রিন্ট সংস্থার গবেষক নিকোলাস গোডিয়ার জানান, ‘‌ওয়ানাক্রাই সাইবার অ্যাটাকের পর এবার বিশ্বের সব কম্পিউটারে হানা দিতে আসছে এডিওয়াইএলকেইউজেডজেড নামের ম্যালওয়ার ভাইরাস। তবে ওয়ানাক্রাই যেখানে কম্পিউটারের ডেটা ব্লক করে দিয়ে বিটকয়েন দাবি করেছিল এখানে তা হবে না। বরং আরও সাহসী পদক্ষেপ দেখা যাবে এখানে। এই নতুন ম্যালওয়ার একদিকে কম্পিউটারে হানা দেবে। আর পিছন থেকে একটি ভার্চুয়াল কারেন্সি সফটওয়্যার মোনেরো–র সাহায্যে নিজের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবে আপনার অজান্তেই। ’‌

ফুটপ্রিন্ট সংস্থা সূত্রে খবর, এই ভার্চুয়াল কারেন্সি কম্পিউটার থেকে করা সব লেনদেনের তথ্য রেকর্ড রাখে। এই ভাইরাস অ্যাটাক করলে শেয়ার উইণ্ডো রিসোর্সের অ্যাকসেস চলে যেতে পারে। কম্পিউটার এবং সার্ভারের কাজের ক্ষমতা কমতে শুরু করে। প্রাথমিকভাবে এই পরিস্থিতিকে গুরুতর বলে মনে না হলেও তা বড় ক্ষতি করে দিতে পারে। সাড়া জাগানো কোনও পরিবর্তন দেখা না যাওয়ায় সাইবার হ্যাকাররা অনেক বেশি সময় পাবে নিজেদের কার্যসিদ্ধির। ‌

সূত্র: আজকাল

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/এ আর/এস আর/এইচ কে/ ১৮ মে ২০১৭