সাইফুর রহমান শামীম, কুড়িগ্রাম : নাগেশ্বরীতে চরাঞ্চলীয় গরু ও গাভীর দুধ বিক্রির বাড়তি আয়ে পরিবারে স্বচ্ছলতা এনেছে অনেকেই। তাই চরাঞ্চলের বিস্তৃর্ন তৃণভূমিতে দেশিয় গরু পালনে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় জনগনের। উপজেলার প্রায় ১০ ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক ছোট-বড় চরে পরীক্ষামুলক কিছু চাষাবাদ হলেও বেশিরভাগ জমিই পতিত থকে সারাবছর। যা গৃহপালিত গরু ছাগলের চারণভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এ বিস্তৃর্ণ তৃণভূমিতে ঘাস খেয়ে মুক্তভাবে বেড়ে ওঠে সেগুলো। গত কয়েক বছর থেকে ঈদের বাজারে চরাঞ্চলের দেশিয় এ গরু ছাগলের চাহিদা বাড়ছে। তাছাড়া উপজেলার বেশিরভাগ গাভীর দুধের যোগান আসে এখান থেকে। তাই পরিবারের অভাব মেটাতে গরু পালনে অনেকেই উৎসাহী হয়ে উঠেছেন। একাধিক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গরু পালনে চরাঞ্চলের দরিদ্র পরিবারগুলোকে উৎসাহ ও সহযোগিতা করেছে। তারা পরিবার প্রতি কিনে দিয়েছেন ১-২টি করে ছোট গরু। সেই মুলধন থেকেই অনেকেই এখন ৪-৫টি গরুর মালিক।

কচাকাটার ধনীরামপুর চরের সাবেক ইউপি সদস্য জলেপ উদ্দিন জানান, গত ৪ বছর আগে চড় উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একাধিক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এলাকার বিভিন্ন দু:স্থ ও গরীব পরিবারকে দুটি করে গরু এবং প্রতিপালন খরচ দেয়। তা থেকেই গত কয়েক বছরে বেড়েছে তাদের মুলধন পরিবারেও এসেছে স্বচ্ছলতা।

একই কথা বলেন ধনীরামপুরের আব্দুল আউয়াল, শৌলমারীর আব্দুল মালেকসহ অনেকেই। তাদের অনুসরনে গরু পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে স্থানীয় অনেকই।

ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান বলেন, সরকারী সহযোগিতা পেলে গরু পালন করে দারিদ্রতা ঘোচাতে সক্ষম হবে চরাঞ্চলের এসব মানুষ।
টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/নীরব/আশা/হায়াত/৯ এপ্রিল, ২০১৭