এস আর এ হান্নান, মাগুরা : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার উপজেলাধীন চরপাচুড়িয়াকে মাগুরার মহম্মদপুরে অন্তর্ভূক্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ ১৩ বছর পূর্বে মহম্মদপুরের অন্তর্ভূক্ত চরপাচুড়িয়াকে কেটে আলফাডাঙ্গাভূক্ত করা হয়। স্থানীয় মহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির এ সংক্রান্ত এক রীট পীটিশনের রায়ে সম্প্রতি হাইকোর্ট উক্ত চরপাচুড়িয়াকে ফের মহম্মদপুর সদরে অন্তর্ভূক্তির জন্য আদেশ দিয়েছেন। বিচারপতি মো: রেজাউল হক এবং বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।

মামলার রায়ে বলা হয়েছে-তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রমের জন্য যোগ্য ছিলেন না। এ জন্য ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত গেজেট প্রজ্ঞাপন যে, চরপাচুড়িয়া মৌজার ভোটারগণকে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলায় অন্তর্ভূক্তি ছিলো অবৈধ। ফলে চরপাচুড়িয়া মৌজার ভোটারগণ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত হবে।

রায়ে আরো বলা হয়েছে-স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসক ফরিদপুর ও মাগুরা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলফাডাঙ্গা ও মহম্মদপুরকে এতদ্বারা চরপাচুড়িয়া মৌজাকে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার অন্তর্ভূক্তি এবং ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বিরোধপূর্ণ গেজেট প্রজ্ঞাপনটি বাতিল; একই সাথে এই আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হলো।

রায়ের উপসংহারে বলা হয়েছে-উপরিক্ত পর্যবেক্ষণদ্বারা আদেশটি সন্দেহাতীত। তৎক্ষনাত আদেশটির কার্যক্রম শুরু করুন।

এ প্রসঙ্গে রীট পীটিশনকারি মহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০৩ সালে অন্যায়ভাবে পাচুড়িয়াকে মহম্মদপুর উপজেলা থেকে কেটে আলফাডাঙ্গাভূক্ত করা হয়েছিলো। মহামান্য হাইকোর্ট যাবতীয় কাগজপত্রাদি পর্যবেক্ষণ পূর্বক যে রায় ঘোষণা করেছেন তাতে আমি এবং গ্রামবাসী অত্যন্ত খুশি হয়েছি।

টাইমস ওয়ার্ল্ড ২৪ ডটকম/আশা/হায়াত/এস আর/ ৭ জানুয়ারী, ২০১৭